“អ្វី​ដែល​យើង​ខ្លាច​ក្នុង​នាម​ជា​ស្ត្រី” យើង​ត្រូវប្រយុទ្ធតស៊ូក្នុងនាម​ជា​សហជីព!

“អ្វី​ដែល​យើង​ខ្លាច​ក្នុង​នាម​ជា​ស្ត្រី” យើង​ត្រូវប្រយុទ្ធតស៊ូក្នុងនាម​ជា​សហជីព!

ឃ្លា “អ្វីដែលយើងខ្លាចក្នុងនាមជាស្ត្រី” បានមកពីរបាយការណ៍ដ៏មានឥទ្ធិពលមួយដោយអង្គភាពស៊ើបអង្កេត Al-Jazeera ស្តីពីការរំលោភបំពានផ្លូវភេទ និងអំពើហិង្សាលើស្ត្រីនៅក្នុងសាកលវិទ្យាល័យចក្រភពអង់គ្លេស។ ការបៀតបៀនផ្លូវភេទ ការរំលោភបំពាន និងអំពើហឹង្សាដែលបានពិពណ៌នានៅក្នុងរបាយការណ៍ និងការកេងប្រវ័ញ្ចលើភាពងាយរងគ្រោះក្នុងស្ថាប័នរបស់ស្ត្រី បង្ហាញពីការភ័យខ្លាចដែលកម្មករស្ត្រីជួបប្រទះនៅកន្លែងធ្វើការជារៀងរាល់ថ្ងៃ។

មូលហេតុមួយក្នុងចំណោមហេតុផលដែលកម្មករស្ត្រីប្រឈមមុខនឹងអំពើហឹង្សា និងការរំលោភបំពាននៅកន្លែងធ្វើការ គឺភាពងាយរងគ្រោះជាស្ថាប័ន និងជាប្រព័ន្ធ ដែលរាលដាលដល់កន្លែងធ្វើការ។ ដោយផ្អែកលើលទ្ធផលការងាររបស់យើងជាមួយមេដឹកនាំសហជីពស្ត្រី និងសមាជិកនៅក្នុងសណ្ឋាគារ ភោជនីយដ្ឋាន កន្លែងកែច្នៃម្ហូបអាហារ និងកសិកម្ម ក្នុងរយៈពេល៤ ឆ្នាំកន្លងមកនេះ យើងបានកំណត់ប្រភេទនៃភាពងាយរងគ្រោះតាមស្ថាប័នផ្សេងៗគ្នា ទាំងរាងកាយ និងសេដ្ឋកិច្ច។

ភាពងាយរងគ្រោះផ្នែករាងកាយត្រូវបានជួបប្រទះទាក់ទងនឹងភាពឯកោ និងការធ្វើដំណើរ។ ភាពឯកោអាចមានន័យថាជាស្ថានភាពដែលមានស្ត្រីតែពីរបីនាក់ក្នុងចំណោមបុរសជាច្រើននៅកន្លែងធ្វើការ ដែលទុកឱ្យពួកគេងាយរងគ្រោះ។ ឬកន្លែងដែលស្ត្រីធ្វើការតែម្នាក់ឯងនៅវាលស្រែឬចម្ការ ឬជាបុគ្គលិកផ្នែកលក់នៅលើផ្លូវទៅផ្ទះ ឬការិយាល័យ។ ការធ្វើដំណើរសំដៅទៅលើភាពងាយរងគ្រោះក្នុងអំឡុងពេលធ្វើដំណើរទៅ និងមកពីកន្លែងការងារ នេះរួមបញ្ចូលទាំងការដឹកជញ្ជូនសាធារណៈចម្រុះដែលកកកុញ។ ការដឹកជញ្ជូនចម្រុះដែលផ្តល់ដោយនិយោជក; ត្រូវបង្ខំចិត្តធ្វើដំណើរទៅ និងមកពីធ្វើការ; ឬដើរផ្លូវឆ្ងាយ ដើម្បីធ្វើការនៅវាលស្រែ ឬដើម្បីប្រមូលទឹក។

ភាពងាយរងគ្រោះផ្នែកសេដ្ឋកិច្ចដែលយើងបានពិភាក្សារួមមាន ប្រាក់ឈ្នួលទាប ឬប្រាក់ឈ្នួលនៃភាពក្រីក្រ ដែលធ្វើឱ្យស្ត្រីមិនអាចដកខ្លួនចេញពីអំពើហិង្សាបាន។ នេះអនុវត្តទាំងអំពើហឹង្សានៅកន្លែងធ្វើការ និងនៅផ្ទះ។ នៅពេល ស្ត្រីមានប្រាក់ឈ្នួលនៃភាពក្រីក្រ ពួកគេមានភាពងាយរងគ្រោះ ហើយមិនអាចទទួលបានការងារផ្សេងទៀតទេ ពួកគេមិនអាចទទួលបានឯករាជ្យភាពសេដ្ឋកិច្ចដែលត្រូវការដើម្បីគេចចេញពីអំពើហិង្សាក្នុងគ្រួសារ។ មេដឹកនាំសហជីព​​ស្ត្រីរបស់យើងជាច្រើននាក់ បានអះអាងថា ប្រាក់ឈ្នួលសមរម្យ ឬ “ប្រាក់ឈ្នួលសម្រាប់រស់នៅ” ដែលចរចាតាម     រយៈការចរចាជាសមូហភាពអាចរួមចំណែកកាត់បន្ថយភាពងាយរងគ្រោះផ្នែកសេដ្ឋកិច្ចរបស់កម្មករស្ត្រី និងជួយលុប​បំបាត់អំពើហិង្សាដែលកើតចេញពីភាពងាយរងគ្រោះនោះ។

សមាជិករបស់យើងបាននិយាយអំពីភាពងាយរងគ្រោះផ្នែកសេដ្ឋកិច្ចជាច្រើនប្រភេទ រួមមាន៖ បំណុល/ពលកម្មជាប់​​កិច្ចសន្យា និងអំពើហិង្សាដែលស្ត្រីប្រឈមមុខនឹង “ទ្រព្យសម្បត្តិ” ។ ស្ត្រីមេម៉ាយត្រូវបានបដិសេធការទទួលបានសិទ្ធិដីធ្លី និងអត្ថប្រយោជន៍របស់រដ្ឋាភិបាល។ កម្មករស្ត្រីបានបដិសេធអត្ថប្រយោជន៍គ្រួសារដែលទទួលបានដោយបុរស ជាពិសេសលំនៅដ្ឋាន និងប្រាក់ឈ្នួលតាមប្រភេទ (ឧទាហរណ៍ អាហារសំខាន់ៗដូចជាអង្ករ គ្រាប់ធញ្ញជាតិ) លើចម្ការ។ ការអនុវត្តជ្រើសរើសបុគ្គលិក; និងការរៀបចំការងារមិនច្បាស់លាស់។

ការបៀតបៀនផ្លូវភេទ និងការបំពានក្នុងការដាក់ពាក្យ និងទទួលបានការងារ ការឆ្លងកាត់ការសាកល្បង ការឆ្លងកាត់ការវាយតម្លៃការអនុវត្ត ការធានាការងារអចិន្ត្រៃយ៍ ឬការបន្តកិច្ចសន្យាបណ្ដោះអាសន្នគឺកើតមានជាបន្តបន្ទាប់។ នេះក៏ព្រោះតែអំណាចដ៏ធំសម្បើមលើសន្តិសុខការងារ ជីវភាពរស់នៅ និងការលើកកម្ពស់កម្មករស្ត្រីត្រូវបានប្រមូលផ្តុំនៅក្នុងដៃរបស់បុរសនៅក្នុងមុខតំណែងគ្រប់គ្រង និងត្រួតពិនិត្យ។ អំណាចនេះត្រូវបានរំលោភបំពានជាប្រចាំ ហើយ​ជារឿយៗមិនមានវិធានការណ៍មានប្រសិទ្ធភាពក្នុងការទប់ស្កាត់បញ្ហានេះទេ។

ទោះបីជាមានការអះអាងពី “គ្មានការអត់ឱន” ទៅលើការរើសអើង និងការយាយីក៏ដោយ និយោជកភាគច្រើន រួមទាំង​ក្រុមហ៊ុនអាហារ ភេសជ្ជៈ និងកសិកម្មឆ្លងដែនដ៏ធំបំផុតមួយចំនួននៅលើពិភពលោក មិនបានធ្វើអ្វីដើម្បីដោះស្រាយ​ការពាក់ព័ន្ធនៃភាពងាយរងគ្រោះផ្នែកសេដ្ឋកិច្ច និងការរំលោភបំពានអំណាចនោះទេ។ ផ្ទុយទៅវិញ និយោ​ជកភាគច្រើនការពារការប្រើប្រាស់ការងារមិនច្បាស់លាស់(ការងារគ្មានសុវត្ថិភាពដោយផ្អែកលើបុគ្គលិកបណ្តែត លក្ខណៈ បណ្តោះអាសន្ន ការជួលកម្លាំងពលកម្ម ឬការងារមកពីក្រៅ) ដោយផ្អែកក្នុងន័យសេដ្ឋកិច្ច។ រឿងទាំងនេះកើតឡើងគឺជាភាពបត់បែន និងមានប្រសិទ្ធភាពទៀតផង។ ដូច្នេះហើយការងារដែលមិនមានសុវត្ថិភាពគឺជាប្រភពមូលដ្ឋាននៃភាពងាយរងគ្រោះផ្នែកសេដ្ឋ​កិច្ចសម្រាប់កម្មករស្ត្រី ដែលទុកឱ្យពួកគេប្រឈមមុខនឹងការយាយី និងការរំលោភបំពានពីបុរសដែលនឹងសម្រេចចិត្តថាតើកិច្ចសន្យារបស់ពួកគេត្រូវបានបន្តឬអត់។ វា​ជា​ប្រភព​គ្រឹះ​នៃ​ការ​ភ័យ​ខ្លាច​ដែល​កម្មករ​ស្ត្រី​ប្រឈម​មុខ។

វា​ជា​តួនាទី​របស់​យើង​ក្នុង​នាម​ជា​សហជីព​ ចាត់​វិធានការ​ដើម្បី​ធានា​ថា​ស្ត្រី​លែង​ប្រឈម​មុខ​នឹង​ការ​ភ័យ​ខ្លាច​នោះ​ទៀត​ហើយ។ ក្នុងនាមជាសហជីព យើងត្រូវតែចាត់វិធានការដើម្បីបញ្ឈប់អំពើហិង្សាលើស្ត្រី និងដើម្បីលុបបំបាត់ប្រភពដ៏សំខាន់បំផុតមួយនៃការភ័យខ្លាចនៅកន្លែងធ្វើការដូចជា៖ អសន្តិសុខ និងការភ័យខ្លាចដែលកើតចេញពីការជ្រើសរើសបុគ្គលិក ការងារមិនច្បាស់លាស់ និងអសន្តិសុខការងារ

យើងត្រូវតែលាតត្រដាងពីអំណាច និងភាពងាយរងគ្រោះនៅពីក្រោយ “អ្វីដែលយើងខ្លាចក្នុងនាមជាស្ត្រី” ហើយយើងត្រូវតែប្រយុទ្ធតស៊ូក្នុងនាមជាសហជីព

សូមចូលរួមជាមួយពួកយើងក្នុងទិវាអន្តរជាតិលុបបំបាត់អំពើហិង្សាលើស្ត្រីនៅថ្ងៃទី25 ខែវិច្ឆិកា ដើម្បីអំពាវនាវឱ្យមាន​សកម្មភាពកាន់តែច្រើនពីសហជីព។ ហើយ​នៅពេលខាង​មុខ​សូម​ធ្វើ​វាឲ្យបានរាល់​ថ្ងៃ។ សហជីពរបស់យើង អំណាច​របស់​យើងត្រូវតែប្រើដើម្បីការពារ និងគាំទ្រសំឡេងស្ត្រី ស្ត្រីធ្វើការដោយគ្មានការភ័យខ្លាច ជាមួយនឹងកម្មករទាំងអស់​ឈររួមគ្នា ដើម្បីបញ្ឈប់អំពើហិង្សាលើស្ត្រី

លេខាធិការប្រចាំតំបន់ Hidayat Greenfield

“নারী হিসাবে আমরা যা ভয় পাই” ইউনিয়ন হিসাবে আমরা তার বিরুদ্ধে লড়াই করি!

“নারী হিসাবে আমরা যা ভয় পাই” ইউনিয়ন হিসাবে আমরা তার বিরুদ্ধে লড়াই করি!

যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নারীদের প্রতি যৌন নির্যাতন ও সহিংসতার বিষয়ে আল-জাজিরা ইনভেস্টিগেটিভ ইউনিটের একটি শক্তিশালী প্রতিবেদন থেকে “নারী হিসেবে আমরা যা ভয় পাই” বাক্যাংশটি এসেছে। প্রতিবেদনে বর্ণিত যৌন হয়রানি, নির্যাতন ও সহিংসতা এবং নারীদের প্রাতিষ্ঠানিক বিপন্নতার শোষণ সেই ভয়কে উন্মোচন করে যা নারী শ্রমিকরা প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে সহ্য করে।

কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমিকদের সহিংসতা ও নির্যাতনের অন্যতম কারণ হল প্রাতিষ্ঠানিক এবং পদ্ধতিগত বিপন্নতা যা কর্মক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। গত চার বছরে হোটেল, রেস্তোরাঁ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং কৃষি খাতের ইউনিয়নের নারী নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যদের সাথে আমাদের কাজের ভিত্তিতে, আমরা শারীরিক ও অর্থনৈতিক উভয় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা চিহ্নিত করেছি।

বিচ্ছিন্নতা এবং ভ্রমণের ক্ষেত্রে শারীরিক বিপন্নতা সম্মুখীন হয়েছে। বিচ্ছিন্নতার বলতে এমন পরিস্থিতি বুঝানো হতে পারে যেখানে একটি কাজের জায়গায় অনেক পুরুষের মধ্যে মাত্র কয়েকজন নারী থাকে, তাদের বিপন্ন অবস্থায় রেখে। অথবা যেখানে মহিলারা ক্ষেত বা বাগানে একা কাজ করেন, বা রাস্তায় বিক্রয়কর্মী হিসাবে বাড়ি বা অফিসে যান। কর্মস্থল থেকে যাতায়াতের সময় বিপন্নতাকে ভ্রমণের বিপন্নতা হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে জনাকীর্ণ মিশ্র গণপরিবহন; নিয়োগকর্তা প্রদত্ত জনাকীর্ণ মিশ্র পরিবহন; কর্মস্থলে যাওয়া-আসা করতে বাধ্য হওয়া; বা মাঠে কাজ করতে বা পানি সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ দূরত্বে হাঁটা।

আমরা যে অর্থনৈতিক বিপন্নতা নিয়ে আলোচনা করেছি তাতে নিম্ন মজুরি বা স্বল্প মজুরি অন্তর্ভুক্ত যা নারীদের পক্ষে সহিংসতা থেকে নিজেকে রক্ষা করা অসম্ভব করে তোলে। এটি কর্মক্ষেত্র এবং বাড়িতে সংগঠিত উভয় সহিংসতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেখানে দারিদ্র্য মজুরীতে থাকা নারীরা ইতিমধ্যেই বিপন্ন এবং যারা অন্য চাকরি পেতে পারে না, তারা পারিবারিক সহিংসতা থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে অক্ষম। আমাদের ইউনিয়নের নারী নেতৃবৃন্দ জোড়ালো ভাবে বলেছেন যে যৌথ দর কষাকষির মাধ্যমে আলোচনা করা একটি শোভন মজুরি বা একটি “জীবিকা নির্বাহের জন্য উপযুক্ত মজুরি” নারী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক বিপন্নতা হ্রাস করতে ভূমিকা রাখতে পারে এবং সেই বিপন্নতা থেকে উদ্ভূত সহিংসতা দূর করতে সহায়তা করতে পারে।

আমাদের সদস্যরা বিভিন্ন ধরণের অর্থনৈতিক বিপন্নতার কথা বলেছেন, যার মধ্যে রয়েছে: ঋণ/ বন্ডেড লেবার এবং নারীরা “সম্পত্তি” হিসাবে মুখোমুখি হওয়া সহিংসতার; ভূমি অধিকার এবং সরকারী সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত বিধবারা; পুরুষদের দ্বারা প্রাপ্ত পারিবারিক সুবিধাগুলি বঞ্চিত নারী শ্রমিকরা বিশেষ করে বাগানে আবাসন এবং মজুরির ক্ষেত্রে (যেমন: চাল, শস্যের মতো প্রয়োজনীয় খাদ্য); নিয়োগ পদ্ধতি; এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান ব্যবস্থা।

চাকরির জন্য আবেদন করা এবং চাকরি পেতে, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, কর্মক্ষমতা মূল্যায়নে উত্তীর্ণ, স্থায়ী চাকরি নিশ্চিত করা, বা অস্থায়ী চুক্তি নবায়ন করার ক্ষেত্রে যৌন হয়রানি এবং নির্যাতনের ঘটনা ব্যাপক। এর কারণ হল নারী শ্রমিকদের চাকরির নিরাপত্তা, জীবিকা ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে ক্ষমতা প্রভূত ম্যানেজমেন্ট ও তত্ত্বাবধায়ক পদে অধিষ্ঠিত পুরুষদের হাতে কেন্দ্রীভূত। এই ক্ষমতা নিয়মিত অপব্যবহার করা হয় এবং এটি প্রতিরোধ করার জন্য প্রায়ই কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেই।

বৈষম্য এবং হয়রানির জন্য ‘জিরো টলারেন্স’ দাবি করা সত্ত্বেও, বেশিরভাগ নিয়োগকর্তারা – বিশ্বের কিছু বৃহত্তম আন্তর্জাতিক খাদ্য, পানীয় এবং কৃষি সংস্থাগুলি সহ – অর্থনৈতিক বিপন্নতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের সম্পর্ককে মোকাবেলা করার জন্য কিছুই করে না। এর পরিবর্তে, বেশিরভাগ নিয়োগকর্তা অর্থনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে অনিশ্চিত কর্মসংস্থানের (নৈমিত্তিক, অস্থায়ী, ভাড়া করা, বা আউটসোর্সিং ভিত্তিক অনিরাপদ চাকরি) ব্যবহারকে যুক্তিযুক্ত মনে করেন। এটি সমস্ত নমনীয়তা এবং দক্ষতা সম্পর্কিত। যদিও অনিরাপদ চাকরি হল নারী কর্মীদের অর্থনৈতিক বিপন্নতার একটি মৌলিক উৎস, যা তাদেরকে সেসকল পুরুষদের হয়রানি ও নির্যাতনের সম্মুখিন করে যারা নারীদের চুক্তি নবায়ন করা হবে কিনা তা সিদ্ধান্ত নেবে। নারী শ্রমিকরা যে ভয়ের সম্মুখীন হয় এটি তার একটি মৌলিক উৎস।

নারীরা যাতে আর সেই ভয়ের মুখোমুখি না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া ট্রেড ইউনিয়ন হিসাবে আমাদের দায়িত্ব। নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে আমাদের অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ভীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলির মধ্যে একটি দূর করার জন্য আমাদের অবশ্যই ইউনিয়ন হিসাবে পদক্ষেপ নিতে হবে: নিয়োগ, অনিশ্চিত কর্মসংস্থান এবং অনিরাপদ চাকরি থেকে উদ্ভূত নিরাপত্তাহীনতা এবং ভয়।

আমাদের অবশ্যই “নারী হিসাবে আমরা যা ভয় পাই” এর পিছনে শক্তি এবং বিপন্নতা উন্মোচন করতে হবে এবং ইউনিয়ন হিসাবে আমাদের অবশ্যই এটির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।

অনুগ্রহ করে ২৫ নভেম্বর নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা নির্মূলের আন্তর্জাতিক দিবসে ইউনিয়নগুলিকে আরও বেশি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাতে আমাদের সাথে যোগ দিন। এবং সময় এগিয়ে যাচ্ছে, আসুন এটিকে আমরা সম্ভব করি। নারীদের কথা বলার জন্য এবং নির্ভয়ে কাজ করা নারীদের সুরক্ষা এবং সহযোগিতা করতে, সমস্ত শ্রমিক একত্রিত হয়ে, নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ করতে আমাদের ইউনিয়নকে, আমাদের শক্তিকে অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত ।

হিদায়াত গ্রিনফিল্ড, রিজিওনাল সেক্রেটারি

“apa yang kita takuti sebagai perempuan”, kita berjuang sebagai satu kesatuan!

“apa yang kita takuti sebagai perempuan”, kita berjuang sebagai satu kesatuan!

Ungkapan “apa yang kita takuti sebagai perempuan” berasal dari laporan oleh Unit Investigasi Al-Jazeera tentang pelecehan seksual dan kekerasan terhadap perempuan di universitas-universitas Inggris. Pelecehan, pelecehan dan kekerasan seksual yang dijelaskan dalam laporan dan eksploitasi kerentanan perempuan yang dilembagakan mengungkapkan ketakutan yang dialami pekerja perempuan di tempat kerja setiap hari.

Salah satu alasan pekerja perempuan menghadapi kekerasan dan pelecehan di tempat kerja adalah kerentanan yang terlembaga dan sistemik yang melingkupi tempat kerja. Berdasarkan pekerjaan kami dengan para pemimpin dan anggota serikat perempuan di hotel, restoran, pengolahan makanan dan pertanian selama empat tahun terakhir, kami mengidentifikasi berbagai jenis kerentanan yang dilembagakan, baik fisik maupun ekonomi.

Kerentanan fisik dialami dalam hal isolasi dan perjalanan. Isolasi bisa berarti situasi di mana hanya ada sedikit wanita di antara banyak pria di tempat kerja, membuat mereka rentan. Atau di mana perempuan bekerja sendirian di ladang atau perkebunan, atau sebagai pekerja penjualan di jalan mengunjungi rumah atau kantor. Perjalanan mengacu pada kerentanan selama perjalanan ke dan dari tempat kerja. Ini termasuk angkutan umum campuran yang padat; transportasi campuran padat yang disediakan oleh majikan; dipaksa untuk menumpang ke dan dari tempat kerja; atau berjalan jauh untuk bekerja di ladang atau mengambil air.

Kerentanan ekonomi yang kami diskusikan termasuk upah rendah atau upah kemiskinan yang membuat perempuan tidak mungkin melepaskan diri dari kekerasan. Ini berlaku baik untuk kekerasan di tempat kerja maupun di rumah. Dimana perempuan dengan upah miskin sudah rentan dan tidak bisa mendapatkan pekerjaan lain, mereka tidak dapat mencapai kemandirian ekonomi yang dibutuhkan untuk menghindari kekerasan dalam rumah tangga. Beberapa pemimpin serikat perempuan kami berpendapat bahwa upah yang layak atau “upah layak” yang dinegosiasikan melalui perundingan bersama dapat berkontribusi untuk mengurangi kerentanan ekonomi pekerja perempuan dan membantu menghilangkan kekerasan yang timbul dari kerentanan itu.

Anggota kami berbicara tentang berbagai jenis kerentanan ekonomi, termasuk: hutang/kerja terikat dan kekerasan yang dihadapi perempuan sebagai “properti”; janda ditolak aksesnya ke hak atas tanah dan tunjangan pemerintah; pekerja perempuan menolak tunjangan keluarga yang diterima oleh laki-laki, terutama perumahan dan upah dalam bentuk natura (misalnya makanan pokok seperti beras, biji-bijian) di perkebunan; praktik perekrutan; dan pengaturan pekerjaan tidak tetap.

Pelecehan dan pelecehan seksual dalam melamar dan mendapatkan pekerjaan, lulus masa percobaan, lulus penilaian kinerja, mendapatkan pekerjaan permanen, atau memperbarui kontrak sementara merajalela. Hal ini karena kekuasaan yang luar biasa atas keamanan kerja, penghidupan dan promosi pekerja perempuan terkonsentrasi di tangan laki-laki dalam posisi manajemen dan pengawasan. Kekuasaan ini sering disalahgunakan dan seringkali tidak ada tindakan efektif untuk mencegahnya.

Terlepas dari klaim ‘tanpa toleransi’ untuk diskriminasi dan pelecehan, sebagian besar pengusaha – termasuk beberapa perusahaan makanan, minuman, dan pertanian transnasional terbesar di dunia – tidak melakukan apa pun untuk mengatasi hubungan kerentanan ekonomi dan penyalahgunaan kekuasaan. Sebaliknya, sebagian besar pengusaha membela penggunaan pekerjaan tidak tetap (pekerjaan tidak aman berdasarkan kasual, sementara, mempekerjakan tenaga kerja, atau outsourcing) dalam hal ekonomi. Ini semua tentang fleksibilitas dan efisiensi. Namun pekerjaan yang tidak aman merupakan sumber kerentanan ekonomi yang mendasar bagi pekerja perempuan, membuat mereka rentan terhadap pelecehan dan pelecehan laki-laki yang akan memutuskan apakah kontrak mereka akan diperpanjang atau tidak. Ini adalah sumber mendasar dari ketakutan yang dihadapi pekerja perempuan.

Adalah peran kita sebagai serikat pekerja untuk mengambil tindakan untuk memastikan bahwa perempuan tidak lagi menghadapi ketakutan itu. Kita harus mengambil tindakan untuk menghentikan kekerasan terhadap perempuan. Tetapi kita juga harus mengambil tindakan sebagai serikat pekerja untuk menghilangkan salah satu sumber paling penting dari ketakutan yang dilembagakan di tempat kerja: ketidakamanan dan ketakutan yang timbul dari perekrutan, pekerjaan tidak tetap, dan pekerjaan yang tidak aman.

Kita harus mengekspos kekuatan dan kerentanan di balik “apa yang kita takuti sebagai perempuan” dan kita harus melawannya sebagai sebuah persatuan.

Bergabunglah dengan kami di Hari Internasional untuk Penghapusan Kekerasan Terhadap Perempuan pada tanggal 25 November untuk menyerukan tindakan yang lebih besar oleh serikat pekerja. Dan setiap hari ke depan, mari kita wujudkan. Serikat kita, kekuatan kita harus digunakan untuk melindungi dan mendukung perempuan yang berbicara, perempuan yang bekerja tanpa rasa takut, dengan semua pekerja berdiri bersama, untuk MENGHENTIKAN kekerasan terhadap perempuan.

Hidayat Greenfield, Sekretaris Regional

“हम महिलाएं जिससे डरते हैं”, संगठन की शक्ति से हम उस से भिड़ते हैं!

“हम महिलाएं जिससे डरते हैं”, संगठन की शक्ति से हम उस से भिड़ते हैं!

Hindi-Statement_IDEVAW PDF

वाक्यांश “हम महिलाएं जिससे डरते हैं” ब्रिटेन के विश्वविद्यालयों में महिलाओं के खिलाफ यौन शोषण और हिंसा पर अल-जज़ीरा जांच इकाई की एक शक्तिशाली रिपोर्ट से आता है। रिपोर्ट में वर्णित यौन उत्पीड़न, दुर्व्यवहार और हिंसा, और महिलाओं की संस्थागत भेद्यता का शोषण उस डर को उजागर करता है जो महिला श्रमिक प्रतिदिन कार्यस्थलों में अनुभव करती हैं।

कार्यस्थल पर महिला श्रमिकों को हिंसा और दुर्व्यवहार का सामना करने का एक कारण संस्थागत और प्रणालीगत भेद्यता है जो कार्यस्थलों में व्याप्त है। पिछले चार वर्षों में होटल, रेस्ट्रॉन्ट, खाद्य प्रसंस्करण और कृषि में संगठनो के महिला नेताओं और सदस्यों के साथ हमारे काम के आधार पर हमने विभिन्न प्रकार की संस्थागत भेद्यता की पहचान की, दोनों शारीरिक और आर्थिक।

अलगाव और यात्रा के मामले में शारीरिक भेद्यता का अनुभव किया गया था। अलगाव का मतलब उन स्थितियों से हो सकता है जिनमें कार्यस्थल में कई पुरुषों के बीच केवल कुछ महिलाएं होती हैं, जिससे वे असुरक्षित हो जाती हैं। या जहां महिलाएं अकेले खेतों या बागानों में काम कर रही थीं, या सड़क पर बिक्री श्रमिक के रूप में घरों या कार्यालयों में जा रही थीं। यात्रा का मतलब है वह भेद्यता जिसका काम पर आते जाते सामना करना पडता है। इसमें भीड़-भाड़ वाला मिश्रित सार्वजनिक परिवहन शामिल था; नियोक्ता द्वारा प्रदान किया गया भीड़-भाड़ वाला मिश्रित परिवहन; काम से आने और जाने के लिए मजबूरन लोगों से लिफ्ट लेना होना; या खेतों में काम करने या पानी भरने के लिए लंबी दूरी तय करना।

हमने जिस आर्थिक भेद्यता पर चर्चा की, जिसमें कम मजदूरी या गरीबी में रखने वाली मजदूरी शामिल है, जिससे महिलाओं के लिए खुद को हिंसा से निकलना असंभव हो जाता है। यह कार्यस्थल और घर में हिंसा दोनों पर लागू होता है। जहां गरीबी में रखने वाली मजदूरी पर महिलाएं काम करती है वह पहले से हीअसुरक्षित हैं और उन्हें दूसरी नौकरी नहीं मिल सकती है, वे घरेलू हिंसा से बचने के लिए आवश्यक आर्थिक स्वतंत्रता प्राप्त करने में असमर्थ हैं। हमारे संगठनो की कई महिला नेताओं ने तर्क दिया कि सामूहिक सौदेबाजी के माध्यम से बातचीत की गई एक अच्छी मजदूरी या “जीवित मजदूरी” महिला श्रमिकों की आर्थिक भेद्यता को कम करने में योगदान कर सकती है और उस भेद्यता से उत्पन्न होने वाली हिंसा को खत्म करने में मदद कर सकती है।

हमारे सदस्यों ने विभिन्न प्रकार की आर्थिक भेद्यता के बारे में बात की, जिनमें शामिल हैं: ऋण/बंधुआ मजदूरी और हिंसा का सामना महिलाएं “संपत्ति” के रूप में करती हैं; विधवाओं को भूमि अधिकारों और सरकारी लाभों तक पहुंच से वंचित रखा गया; बागानों में महिला श्रमिकों को पुरुषों को मिलने वाले पारिवारिक लाभों से वंचित रखा है, विशेष रूप से आवास और मज़दूरी के बदले माल का भुगतान (जैसे चावल, अनाज जैसे आवश्यक भोजन); भर्ती प्रथाओं; और अनिश्चित रोजगार व्यवस्था।

नौकरी के लिए आवेदन करने और पाने, परिवीक्षा पास करने, प्रदर्शन मूल्यांकन पास करने, स्थायी नौकरी हासिल करने या अस्थायी अनुबंधों को नवीनीकृत करने में यौन उत्पीड़न और दुर्व्यवहार बड़े पैमाने पर है। ऐसा इसलिए है क्योंकि नौकरी की सुरक्षा, आजीविका और महिला श्रमिकों की पदोन्नति पर जबरदस्त शक्ति प्रबंधन और पर्यवेक्षी पदों पर पुरुषों के हाथों में केंद्रित है। इस शक्ति का नियमित रूप से दुरुपयोग किया जाता है और इसे रोकने के लिए अक्सर कोई प्रभावी उपाय नहीं रखे जाते होते हैं।

भेदभाव और उत्पीड़न के लिए ‘शून्य सहनशीलता’ के दावों के बावजूद अधिकांश नियोक्ता – जिनमें दुनिया की कुछ सबसे बड़ी अंतरराष्ट्रीय खाद्य, पेय और कृषि कंपनियां शामिल हैं – आर्थिक भेद्यता और सत्ता के दुरुपयोग की गठजोड़ को दूर करने के लिए कुछ भी नहीं करते हैं। इसके बजाय, अधिकांश नियोक्ता आर्थिक दृष्टि से अनिश्चित रोजगार (आकस्मिक, अस्थायी, या आउटसोर्सिंग पर आधारित असुरक्षित नौकरियां) के उपयोग का बचाव करते हैं। यह लचीलेपन और दक्षता के बारे में है। फिर भी असुरक्षित नौकरियां महिला श्रमिकों के लिए आर्थिक भेद्यता का एक मूलभूत स्रोत हैं, जो उन्हें पुरुषों के उत्पीड़न और दुर्व्यवहार के संपर्क में छोड़ देती हैं, जो यह तय करेंगे कि उनके अनुबंधों का नवीनीकरण किया जाये या नहीं। यह महिला श्रमिकों के डर का एक मूलभूत स्रोत है।

ट्रेड यूनियनों के रूप में यह हमारी भूमिका है कि हम यह सुनिश्चित करने के लिए कार्रवाई करें कि महिलाओं को अब उस डर का सामना न करना पड़े। हमें महिलाओं के खिलाफ हिंसा को रोकने के लिए कार्रवाई करनी चाहिए। लेकिन हमें काम पर संस्थागत भय के सबसे महत्वपूर्ण स्रोतों में से एक: असुरक्षित और भर्ती से उत्पन्न भय, अनिश्चित रोजगार और असुरक्षित नौकरियां को खत्म करने के लिए यूनियनों के रूप में भी कार्रवाई करनी चाहिए।

हमें “हम महिलाएं जिससे डरते हैं” के पीछे की शक्ति और भेद्यता को उजागर करना चाहिए और हमें इसे एक संगठन के रूप में लड़ना चाहिए।

25 नवंबर को महिलाओं के खिलाफ हिंसा के उन्मूलन के लिए अंतर्राष्ट्रीय दिवस पर यूनियनों द्वारा अधिक से अधिक कार्रवाई का आह्वान करने के लिए कृपया हमारे साथ जुड़ें।
और हर दिन आगे बढ़ते हुए, इसे इसे सम्बह्व करना है। महिलाओं के खिलाफ हिंसा को रोकने के लिए, हमारे संगठन, हमारी शक्ति का उपयोग महिलाएं जब आवाज़ उठाएं, बिना किसी डर के काम करने वाली महिलाएं, सभी श्रमिक एक साथ खड़े हों उनकी रक्षा और समर्थन करने के लिए किया जाना चाहिए।

हिदायत ग्रीनफील्ड, क्षेत्रीय सचिव

“what we fear as women”, we fight as a union!

“what we fear as women”, we fight as a union!

The phrase “what we fear as women” comes from a powerful report by the Al-Jazeera Investigative Unit on sexual abuse and violence against women in UK universities. The sexual harassment, abuse and violence described in the report and the exploitation of the institutionalized vulnerability of women exposes the fears that women workers experience in workplaces everyday.

One of the reasons women workers face violence and abuse at work is the the institutionalized and systemic vulnerability that pervades workplaces. Based on our work with women union leaders and members in hotels, restaurants, food processing and agriculture over the past four years, we identified different kinds of institutionalized vulnerability, both physical and economic.

Physical vulnerability was experienced in terms of isolation and travel. Isolation could mean situations in which there are only a few women among many men in a workplace, leaving them vulnerable. Or where women were working alone in fields or plantations, or as sales workers on the road visiting homes or offices. Travel referred to vulnerability during travel to and from work. This included crowded mixed public transport; crowded mixed transport provided by the employer; being compelled to hitch-hike to and from work; or walking long distances to work in fields or to collect water.

The economic vulnerability we discussed included low wages or poverty wages that make it impossible for women to remove themselves from violence. This applies both to violence in the workplace and home. Where women on poverty wages are already vulnerable and cannot get another job, they are unable to achieve the economic independence needed to escape domestic violence. Several of our women union leaders argued that a decent wage or a “living wage” negotiated through collective bargaining can contribute to reducing women workers’ economic vulnerability and help to eliminate the violence arising from that vulnerability.

Our members spoke of a range of different kinds of economic vulnerability, including: debt/bonded labour and the violence women face as “property”; widows denied access to land rights and government benefits; women workers denied the family benefits received by men, especially housing and wages in kind (e.g. essential food such as rice, grain) on plantations; recruitment practices; and precarious employment arrangements.

Sexual harassment and abuse in applying for and getting jobs, passing probation, passing performance appraisals, securing permanent jobs, or renewing temporary contracts is rampant. This is because tremendous power over the job security, livelihoods and promotion of women workers is concentrated in the hands of men in management and supervisory positions. This power is regularly abused and there are often no effective measures in place to prevent this.

Despite claims of ‘zero tolerance’ for discrimination and harassment, most employers – including some of the biggest transnational food, beverage and agricultural companies in the world – do nothing to address the nexus of economic vulnerability and the abuse of power. Instead, most employers defend the use of precarious employment (insecure jobs based on casual, temporary, labour hire, or outsourcing) in economic terms. It’s all about flexibility and efficiency. Yet insecure jobs are a fundamental source of economic vulnerability for women workers, leaving them exposed to the harassment and abuse of the men who will decide whether or not their contracts are renewed. It is a fundamental source of the fear women workers face.

It is our role as trade unions to take action to ensure that women no longer face that fear. We must take action to stop violence against women. But we must also take action as unions to eliminate one of the most important sources of institutionalized fear at work: insecurity and fear arising from recruitment, precarious employment, and insecure jobs. 

We must expose the power and vulnerability behind “what we fear as women” and we must fight it as a union. 

Please join us on the International Day for the Elimination of Violence Against Women on November 25 to call for greater action by unions. And every day going forward, let’s make it happen. Our union, our power must be used to protect and support women speaking out, women working without fear, with all workers standing together, to STOP violence against women.

Hidayat Greenfield, Regional Secretary

What we fear as women-English PDF

Women working without fear-English PDF

Unions Must Still Take Action – Stop Violence Against Women!

Unions Must Still Take Action – Stop Violence Against Women!

Below is the statement we issued for the International Day for the Elimination of Violence Against Women on November 25, 2017. While there is greater awareness today than four years ago, violence against women has increased. Unions have taken action, but not enough. More action is needed. Join us on November 25 to speak out, take action and stop violence against women.

Unions Must Take Action – Stop Violence Against Women!

Throughout the Asia-Pacific region, women working in hotels, restaurants, catering and tourism services; in food processing, fisheries, beverage manufacturing, brewery, dairy and meat processing factories; on farms and plantations; and working as domestic workers and home-based workers; face various forms of violence on a daily basis.

This violence includes sexual harassment, sexual assault, physical, psychological and verbal abuse and intimidation, trafficking and forced labour and domestic violence.

This violence occurs in the workplace, during recruitment, training or promotion, when travelling to and from work, and at home.

This violence occurs especially women workers face economic or physical vulnerability at work, including insecure jobs, poverty wages, physical isolation, unsafe work, lack of sanitation facilities and changing rooms, and unsafe public transport or inadequate transport to and from work.

This violence occurs especially when women workers face systematic discrimination in employment, wages and benefits, facilities, training and promotion opportunities.

This violence happens because of men abusing their power and authority at work and in recruitment or promotion, men as co-workers, men as guests or customers, men as spouses or relatives, and all the men who do nothing about it.

This violence happens because governments and employers fail to take action to protect women workers from all forms of violence at work and in the community.

This violence happens because trade unions fail to take action to protect women workers from all forms of violence at work and in the in the community.

This violence violates women workers’ human rights and undermines the human dignity and rights of all workers… all of us.

This violence must stop.

November 25 is designated by the United Nations as the International Day for the Elimination of Violence Against Women to bring attention to the widespread, daily violations of women’s human rights as a result of gender-based violence.

On this day there are actions taking place around the world calling for concerted action to stop violence against women in society, in the community, at home and at work.

The International Day for the Elimination of Violence Against Women must also be our day as trade unions. We must add our voice to the calls to end violence against women, and as trade unions we must take comprehensive and far-reaching action to compel governments, employers and our own members to stop all forms of violence against women.

Join us on November 25 to speak out, take action and stop violence against women.

PDF Placard Stop Violence Againts Women!