In the face of rising heat waves SEWA seeks to protect the health and livelihoods of women workers in the informal economy

In the face of rising heat waves SEWA seeks to protect the health and livelihoods of women workers in the informal economy

It is well understood that human-induced climate change is causing more frequent and intense heat waves, exposing workers to heat stress and heat stroke. This not only has a serious impact on workers’ health, but also on their incomes and livelihoods. When workers are unable to work for prolonged periods or are unable to work at all due to extreme heat, the work hours lost due to extreme heat translate into lost wages or lower incomes. As we have explained elsewhere in The Lancet Planetary Health:

Due to extreme heat and exposure to the sun, as well as other extreme weather events, the times at which agricultural workers and marginal farmers can work in plantations and fields is getting shorter. The 2021 Lancet Countdown Report warned that 79% of all potential work hours lost to extreme heat in low HDI countries occurred in the agricultural sector in 2020. This finding raises concerns that the effect of heat exposure on working hours could also affect food production, resulting in devastating economic consequences to these already vulnerable workers.

 

Compared with working hours in 2012, agricultural workers and marginal farmers are now starting work earlier in the morning and finishing work later in the evening to avoid the hottest part of the day. Such changes in working time to reduce the risk of heat exhaustion and heat strain are often described as climate adaptation strategies. However, in several low and medium HDI countries workers might have already reached the limit of their adaptive capacity.

Among the most vulnerable workers are women workers in the informal economy who have reached the limits of their adaptive capacity and face the “devastating economic consequences” of lost work hours due to extreme heat. Their lack of access to social protection means they face an even greater risk of income loss and poverty. In response, the IUF-affiliated Self-Employed Women’s Association (SEWA) has launched a new initiative to provide extreme heat insurance to women workers in the informal economy

SEWA’s new Heat Wave Insurance system enables members to address the urgent need to cope with extreme heat situations as well as to build their resilience to withstand its impact. Earlier this year a pilot Heat Wave Insurance system was introduced that covered 52,000 members from different trades in 22 districts. More than 46,000 members (88%) received benefits from this new insurance scheme which provided vital income support in severe heat waves.

This insurance enabled the SEWA members to avoid having to choose between protecting their health, purchasing medicines, feeding their families or financial security. Moreover, as SEWA has explained, this inclusive approach ensures that vulnerable women workers can reach beyond the physical limits of climate adaptation, thereby promoting equity and social justice. This is one of the ways to ensure a Just Transition.

See the BBC news report, “An insurance plan that protects women during extreme heat”:

খাদ্য সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং খামার শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের অধিকারের জন্য লড়াই করা- আব্দুল মজিদ ভাইয়ের সম্মানে

খাদ্য সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং খামার শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের অধিকারের জন্য লড়াই করা- আব্দুল মজিদ ভাইয়ের সম্মানে

১৬ অক্টোবর, ২০২৩-এ আব্দুল মজিদ ভাইয়ের মৃত্যুতে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল জুড়ে, আইইউএফ সদস্যরা গভীর শোক প্রকাশ করে। মজিদ ভাই ছিলেন বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কৃষি ফার্মে কর্মরত শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়নসমূহের একটি জাতীয় ফেডারেশন, বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন (বিএএফএলএফ) এর একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সভাপতি। বিএএফএলএফ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে আইইউএফ এর সবচেয়ে পুরানো সদস্য ইউনিয়নের মধ্যে একটি।

মজিদ ভাই ১৯৭৮ সালে বিএএফএলএফ গঠন করেন, যার লক্ষ্য ছিল ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, ফার্ম শ্রমিক এবং দৈনিক মজুরিভিত্তিক কৃষি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষা এবং প্রচার করা। তিনি ১৯৭৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিএএফএলএফ এর অর্থ সম্পাদক ছিলেন, তারপর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০২২ সাল পর্যন্ত ১১ বছর সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করার পর, মজিদ ভাই বিএএফএলএফ এর সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৬ অক্টোবর, ২০২৩-এ তিনি মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

মজিদ ভাই দৃঢ়ভাবে ট্রেড ইউনিয়নের স্বীকৃতি এবং কৃষিতে নিয়োজিত প্রত্যেকে তাদের সংগঠিত হওয়ার স্বাধীনতা এবং যৌথ দরকষাকষির অধিকার প্রয়োগ করতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য লড়াই করেছেন। তিনি ক্রমবর্ধমান কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণের মুখে খাদ্য সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়েও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বিশেষ করে, মজিদ ভাই ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জীবিকা সুরক্ষা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বীজের উপর নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।

মজিদ ভাইয়ের নেতৃত্বে, বিএএফএলএফ জেনেটিকালি ইঞ্জিনিয়ারড (জিএমও) বীজের বাণিজ্যিক প্রচলনের বিরোধিতাসহ কৃষির কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। রাষ্ট্রীয় খামার এবং গবেষণা কেন্দ্রগুলিতে বিএএফএলএফ সদস্যরা জিএমও ফসল দ্বারা বাংলাদেশের জৈবিক দূষণ বন্ধ করতে এবং খাদ্য ও কৃষির উপর আগ্রাসী কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণের মুখে খাদ্য সার্বভৌমত্ব রক্ষার এই প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বিএএফএলএফ হ’ল আইইউএফ এর অন্যতম সদস্য ইউনিয়ন যারা জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, জলবায়ু ন্যায়বিচারের লড়াইয়ে কৃষক, কৃষি শ্রমিক এবং তাদের সম্প্রদায়কে সংগঠিত ও সক্রিয় করেছে। এটি আইইউএফ এশিয়া/প্যাসিফিক আঞ্চলিক সংগঠনের নীতি ও কর্মসূচির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বিএএফএলএফ জলবায়ু সংকটের মুখে শ্রমিকদের অধিকারকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ন্যায্য মজুরি এবং আয়, নিরাপদ চাকরি, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষায় প্রবেশাধিকারের জন্য সংগ্রাম।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের আইইউএফ-এর সদস্য ইউনিয়নসমূহ বিএএফএলএফ সদস্যদের এবং বাংলাদেশের সকল আইইউএফ সদস্যদের প্রতি তাদের সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করে।

খাদ্য সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং খামার শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের অধিকারের জন্য লড়াই করা- আব্দুল মজিদ ভাইয়ের সম্মানে

Defending food sovereignty and fighting for the rights of farm workers and small and marginal farmers – in honour of Brother Abdul Mazid

Across the Asia-Pacific region, IUF members expressed their great sadness at the passing away of Brother Abdul Mazid on October 16, 2023.  Brother Mazid was a founding member and President of the Bangladesh Agricultural Farm Labour Federation (BAFLF), a national federation of trade unions in state-owned farms in Bangladesh. It is one of the longest standing IUF affiliates in the Asia-Pacific region.

Brother Mazid formed BAFLF in 1978, with the aim to protect and promote the rights and interest of small and marginal farmers, farm workers and waged agricultural workers. He was the Finance Secretary of BAFLF from 1978 to 2011, then was elected as General Secretary. After serving as General Secretary for 11 years until 2022, Brother Mazid was elected as the President of BAFLF. He held this post until he passed away on October 16, 2023.

Brother Mazid strongly advocated for recognition of trade unions and to ensure that everyone engaged in agriculture could exercise their right to freedom of association and collective bargaining. He also led the fight to defend food sovereignty in the face of growing corporate control. In particular, Brother Mazid prioritized small and marginal farmers’ control of seeds as essential to protecting their livelihoods and the food security of local communities.

Under the leadership of Brother Mazid, BAFLF’s fight against the corporate control of agriculture included opposition to the commercial release of genetically engineered (GMO) seeds. BAFLF members in state farms and research centres played a vital role in this effort to stop the biological pollution of Bangladesh by GMO crops, and to defend food sovereignty in face of aggressive corporate control over food and agriculture.

BAFLF was of the first IUF affiliates in the Asia-Pacific region to raise awareness of climate change, mobilizing farmers, agricultural workers and their communities in the fight for climate justice. This became an integral part of the policies and programs of the IUF Asia/Pacific Regional Organization. Today BAFLF continues to advance workers’ rights in the face of the climate crisis.  This includes the struggle for fair wages and incomes, secure jobs, safety and health and access to social protection.

IUF affiliates in the Asia-Pacific region extend their condolences and solidarity to BAFLF members, and all IUF members in Bangladesh.

Gujarat Agriculture Labour Union calls on the 28th IUF Congress to support the fight for the future of Indigenous and First Nation peoples

Gujarat Agriculture Labour Union calls on the 28th IUF Congress to support the fight for the future of Indigenous and First Nation peoples

On June 15, 2023, the 28th IUF Congress in Geneva adopted a historic Resolution No. 24 on Fighting for the future of Indigenous and First Nation peoples. The resolution calls for unions to support recognition of the rights of indigenous and First Nation peoples including the restoration of their lands and heritage and the recovery of their language and traditional knowledge. It also calls for protecting and advancing the rights, interests and livelihoods of the indigenous and First Nation workers, farmers and fisherfolk and their communities and ensuring they are included in all aspects of just transitions and climate justice.

Sister Paulomee Mistry, General Secretary of Gujarat Agriculture Labour Union, moved the resolution by highlighting displacement of indigenous peoples from their land, destruction of their livelihood, forced migration and drawing attention to indigenous peoples deep-rooted cultural and traditional ties to nature and symbiotic relationship with forests.

Calling for fight for the future of Indigenous and First Nation peoples:

Paulomee Mistry, General Secretary of Gujarat Agriculture Labour Union addresses the 28th IUF Congress

Paulomee Mistry, General Secretary of Gujarat Agriculture Labour Union addresses the 28th IUF Congress

In the late 1950s roughly 30,000 families were displaced due to the construction of the Rihand dam in the Singrauli region of Central India.  Many of them belonged to the Baiga Community, a particularly vulnerable Indigenous group in India.  Hardly 20 years later, they would find themselves uprooted again to make way for a super thermal power project.  Yet again, a few years later they were forced to move to make way for industry; and then again, a fourth time for more industrial development.

This is the story of India’s indigenous population, the Adivasis or First Inhabitants of the land – regularly displaced and exploited and pushed further into the web of multidimensional poverty in the name of development.

India is a home to the second largest Indigenous population in the world with a population of 104 million and about 702 Indigenous community. The indigenous communities of India are known for their distinct dialect, deep-rooted cultural, and traditions, such as worship nature, and symbiotic relationship with the forests.  They had their autonomous sovereign framework prior to the colonial intervention.

Over time they have been alienated from their land with the imposition of unfair land ownership laws and the principle of eminent domain.  In addition, there is an ongoing covert attempt to further alienate them from their legacy and rights as first settlers by using a newly coined phrase – “vanvasi” in place of “Adivasi” or First Dwellers. As a result, today, five out of six multidimensional poor people are from Indigenous communities in India.

About 93% of India’s Indigenous people live in rural area, dependent on subsistence agriculture. In addition, they also depend on collection and processing of forest produce and daily-wage labour to survive. There are problems in all three areas:  Agriculture is affected by small land holding, poor soil quality, lack of irrigation, low productivity and climate change.

Further, because rights of ownership to Indigenous land in India generally do not exit, Indigenous cultivators, farming on land to which they have no legal title are subject to regular fines, harassment and exploitation by the forest department.

Mega developmental projects like industries, mining, dams, wild life sanctuaries, parks and conservation of nature, etc. have displaced and uprooted millions of indigenous people from their forest. Between 1951 to 1990, more than 8.5 million Indigenous peoples were displaced. Less than a quarter of them were rehabilitated.

Many Indigenous peoples have thus been pushed to seek and supplement their livelihood through wage labour. As per the estimates of the Ministry of Indigenous Welfare, between 2001 and 2011 alone, 3.5 million Indigenous left agriculture to join the informal labour market.  Current estimates suggest that one in every five unorganized sector workers in India is Indigenous.

Therefore, I request all brothers and sisters to support the Resolution No. 24 on fighting for the future of indigenous and First Nation peoples

 

آب و ہوا کا بحران، ہنگامی حالات اور جمہوریت کی فرسودگی

آب و ہوا کا بحران، ہنگامی حالات اور جمہوریت کی فرسودگی

بہت سے ممالک میں فوج نے تاریخی طور پر سیاسی، سماجی اور اقتصادی بحرانوں کو ہنگامی حالات قرار دیتے ہوے، جمہوریت کو عارضی طور پر معطل کرنے اور اقتدار سنبھالنے کے لیے استعمال کیا ہے۔اب ماحولیاتی بحرانوں کو فوجی مداخلت اور مسلح افواج کی تعیناتی کے جواز کے لیے بھی استعمال کیا جا سکتا ہے۔چونکہ موسمیاتی تبدیلی شدید موسمی واقعات کی شدت اور تعدد کا باعث بنتی ہے، اس لیے ہمیں بارہاہنگامی صورتحال کا سامنا کرنا پڑتا ہے۔اس کا مطلب یہ ہو سکتا ہے کہ فوج کے ہنگامی اختیارات اور جمہوریت کی عارضی معطلی بھی معمول کی بات ہو جائے گی۔کئی ممالک میں، ایک بہت ہی حقیقی خطرہ ہے کہ یہ مسلسل موسمیاتی ہنگامی صورتحال جمہوریت اور جمہوری حقوق کی مسلسل معطلی کا باعث بن سکتی ہے – وہی جمہوریت اور جمہوری حقوق جن کی آب و ہوا کے بحران سے نمٹنے اور آب و ہوا کے انصاف کو یقینی بنانے کے لیے ضرورت ہے۔

جب سائکلون موچا 14  مئی  2023 کو بنگلہ دیش کے ساحل اور میانمار کے مغربی علاقے سے ٹکرایا،درجہ  پانچ کے طوفان نے ریاست رخائن میں جانی نقصان اور بڑے پیمانے پر تباہی مچائی۔ دارالحکومت کا زیادہ حصہ  تباہ ہو گیا تھا۔

 یہ اچھی طرح سے سمجھا جاتا ہے کہ طوفان موچا جیسے شدید موسمی واقعات کی تعدد اور شدت میں انسانی  پیدا کردہ موسمیاتی تبدیلی کے نتیجے میں اضافہ ہوا ہے۔ جو بات کم سمجھ میں آتی ہے وہ یہ ہے کہ ان شدید موسمی واقعات کا سیاسی تناظر موت، تباہی اور بے گھر ہونے کی حد پر گہرا اثر مرتب ہوگا۔

وومنز پیس نیٹ ورک، جس نے میانمار میں وحشیانہ جبر اور انسانی حقوق کی خلاف ورزیوں کے بارے میں جرات مندانہ رپورٹنگ کی ہے، نے  16 مئی کو ایک ہنگامی بریفنگ کا انعقاد کیا جس میں طوفان موچا کے اثرات کا جائزہ لیا گیا۔ بریفنگ میں ان طریقوں کا مشاہدہ کیا گیا جن میں فوجی جنتا نے اپنے سیاسی جبر کو آگے بڑھانے کے لیے طوفان کو استعمال کیا۔

 طوفان موچا کے بارے میں جنٹا کے ردعمل کے بارے میں رپورٹس منظر عام پر آنا شروع ہو گئی ہیں، جس سے یہ انکشاف ہوا ہے کہ جنٹا نے روہنگیا آئی ڈی پیز [اندرونی طور پر بے گھر افراد] کے انخلاء کی کوششوں کو سبوتاژ کیا اور اس کے بعد سے ان کے کیمپوں اور آس پاس کے علاقوں تک امداد کی رسائی کو روک دیا ہے۔ اس طرح کے نتائج، بہت سے دوسرے لوگوں کے درمیان، یکم  فروری میں بغاوت کی کوشش کے بعد راکھین ریاست میں نسل پرستی کو مزید تقویت دینے کے لیے جنٹا کے اقدامات کے مطابق ہیں۔

“رضاکارانہ غفلت” کے طور پر بیان کیا گیا، رخائن ریاست اور بنگلہ دیش میں روہنگیا پناہ گزین کیمپوں پر طوفان موچا کے تباہ کن اثرات نے میانمار سے ان کی جبری نقل مکانی کو یاد کیا جس میں فوج کی طرف سے نسل کشی کی گئی، جسے اقوام متحدہ کی انسانی حقوق کونسل نے انسانیت کے خلاف جرائم کے طور پر تسلیم کیا۔

یہیں پر ہم آب و ہوا کی کمزوری اور فوجی حکمرانی کے تحت رہنے والی آبادیوں کی کمزوری کو دیکھتے ہیں۔ اس خطرے کو نظامی سیاسی ظلم و ستم اور مخصوص نسلی گروہوں کے خلاف ہونے والی نسل کشی کی کارروائیوں سے بڑھایا جاتا ہے۔ لوگوں کو نہ صرف جانی نقصان، ان کے گھروں کی تباہی، محرومی اور بے گھر ہونے کا سامنا کرنا پڑتا ہے، بلکہ اپنے آپ کو تیار کرنے یا اپنی برادریوں کے تحفظ کے لیے اجتماعی کارروائی کرنے کے امکانات بھی سخت محدود ہیں۔

طوفان جیسے شدید موسمی واقعات کے بعد انسانیت  کے لیے شدید مشکل کے وقت میں، ہم اکثر دیکھتے ہیں کہ بین الاقوامی امدادی تنظیمیں فوجی حکومتوں کے ساتھ کام کرنے کی ضرورت کا جواز پیش کرتی ہیں۔ درحقیقت، کچھ امدادی ایجنسیاں اس بات پر یقین رکھتی ہیں کہ مرکزی آمرانہ حکومتیں امداد کی ترسیل کا زیادہ موثر طریقہ کار ہیں۔ یہ اس حقیقت کو نظرانداز کرتا ہے کہ آمرانہ حکومتیں بڑے پیمانے پر بدعنوان ہیں، اور عوامی وسائل – بشمول انسانی امداد – کو طاقتور اشرافیہ اور ان کے ساتھیوں کے ذریعے منتقل کیا جاتا ہے۔ عوامی وسائل کی چوری ان اہم وجوہات میں سے ایک ہے جس کی وجہ سے اس طرح کی حکومتیں پہلی جگہ موجود ہیں۔

زیادہ اہم بات یہ ہے کہ آمرانہ حکومتوں کے تحت انسانیت  کے لیے شدید مشکل کے وقت میں انسانی امداد کا سیاسی طور پر تعین کیا جاتا ہے۔ ریاست اور یامخصوص نسلی یا مذہبی گروہوں کے دشمن کے طور پر شناخت شدہ آبادیوں کو انسانی امداد تک رسائی سے انکار کر دیا جاتا ہے۔ جیسا کہ آج ہم میانمار میں دیکھتے ہیں، شہری آبادیوں کے خلاف فوجی جنتا کی جنگ انسانی امداد کے انکار تک پھیلی ہوئی ہے۔ اس کی وجہ پیچیدہ نہیں ہے۔ انسانی بحران کا شکار ہونے اور انسانی امداد کے اہل ہونے کے لیے، آپ کو پہلے انسان سمجھا جانا چاہیے۔

 ۱۹۴۵کے بعد سے ہم نے کئی ممالک میں جمہوریت کے خاتمے کے آغاز کا مشاہدہ کیا ہے (اکثرکو غیر ملکی حمایت حاصل ہے) جہاں قومی یا ذیلی قومی سطح (ریاست، علاقہ، صوبہ) پر ہنگامی حالتوں کا اعلان کیا جاتا ہے اور فوج سڑکوں پر تعینات ہوتی ہے۔ . فوجیوں کے بیرکوں سے باہر ہونے کے بعد، فوجی جرنیل اور ان کے بچے سیاسی، شہری اور معاشی زندگی میں تیزی سے آگے بڑھتے ہیں۔

یہاں تک کہ اگر کسی منتخب پارلیمنٹ یا کانگریس کے اختیارات بحال ہو جائیں، اور جمہوری انتخابات دوبارہ شروع ہو جائیں، فوج سیاسی جماعتوں کا کنٹرول برقرار رکھتی ہے اور سیاسی، شہری اور اقتصادی زندگی میں اپنے قدم جمائے رکھتی ہے۔ لوگوں کے لیے یہ ایک مستقل ہنگامی حالت بن جاتی ہے – ایک مستقل بحران

اس مسلسل بحران میں ” موسمیاتی تبدیلی کے خلاف اوبرنی کی قوات” کی بھی نئی تعریف کی گئی ہے۔ آب موسمیاتی تبدیلی کے خلاف اوبرنی کی قوات میں ایک اجتماعی ذمہ داری شامل ہے کہ وہ ماحولیاتی تبدیلی کے اثرات کے لیے مساوی سماجی، اقتصادی اور ثقافتی ردعمل کو یقینی بنائے، اور اس بات کو یقینی بنائے کہ انسانی صحت، معاش اور ماحولیات کا تحفظ ہو۔ اب سیاسی اشرافیہ کی طرف سے ہماری کمیونٹیز میں زیادہ سے زیادہ آب موسمیاتی تبدیلی کے خلاف اوبرنی کی قوات پیدا کرنے کے مطالبات کا مطلب یہ ہے کہ ہمیں اگلے انتہائی موسمی واقعے کا سامنا کرنا ہوگا۔ اجتماعی کارروائی اور جوابدہی کے لیے جمہوری طریقہ کار کو چھین لیا گیا، اور حقوق کی عدم موجودگی میں، آب موسمیاتی تبدیلی کے خلاف اوبرنی کی قوات کا مطلب ہے کہ کمزور کمیونٹیز کو برداشت کرنے کی توقع کی جاتی ہے۔

کئی ممالک میں، دائیں بازو پہلے ہی موسمیاتی تبدیلی انکار کر  چکا ہے۔ وہ متاثرہ کمیونٹیز (خاص طور پر موسمیاتی تبدیلی  سے متاثر دیہی کمیونٹیز) کی مدد کرنے میں ریاست کی ناکامی کو بے نقاب کرنے کا ایک سیاسی موقع دیکھتے ہیں۔ اس نئے بحران کے پیش نظر دائیں بازو مضبوط قیادت کے لیےایک  بار    پھر آپنی آواز کو بلندکرتا ہے – آمرانہ حکمرانی کے لیے ایک مقبول اصطلاح۔ قوم کو کسی بیرونی خطرے کے جواب میں ہر ہنگامی صورتحال کی طرح، ماحولیاتی تبدیلی کو بھی دائیں بازو کی طرف سے جمہوریت کی معطلی کا جواز فراہم کرنے کے لیے استعمال کیا جائے گا۔

 آب و ہوا کے اس بحران میں ہمیں شدید موسمی واقعات، گرمی کی لہروں اور جنگل کی آگ کی وجہ سے مسلسل موسمیاتی ہنگامی صورتحال کا سامنا ہے۔ یہ ایک انتہائی موسمی واقعہ سے دوسرے موسم کی وجہ سے “آب و ہوا کی تباہی” کے ذریعہ شدت اختیار کرتا ہے (خشک سالی کے بعد سیلاب؛ جنگل کی آگ کے بعد طوفانی بارشیں)۔ اگر یہ ایک مسلسل ہنگامی حالت کا باعث بنے جس میں جمہوریت کی معطلی مستقل ہو جائے؟

ڈاکٹر محمد ہدایت گرین فیلڈ، آئی یو ایف ایشیا/پیسفک ریجنل سیکرٹری

آب و ہوا کا بحران، ہنگامی حالات اور جمہوریت کی فرسودگی

जलवायु संकट, आपात स्थिति और लोकतंत्र का कटाव

कई देशों में सेना ने आपात स्थिति घोषित करने, लोकतंत्र को अस्थायी रूप से निलंबित करने और सत्ता हासिल करने के लिए ऐतिहासिक रूप से राजनीतिक, सामाजिक और आर्थिक संकटों का इस्तेमाल किया है। अब पर्यावरण संकट का इस्तेमाल सैन्य हस्तक्षेप और सशस्त्र बलों की तैनाती को सही ठहराने के लिए भी किया जा सकता है। चूंकि जलवायु परिवर्तन चरम मौसम की घटनाओं की तीव्रता और आवृत्ति में वृद्धि करता है, इसलिए हम अधिक बार-बार होने वाली आपात स्थितियों की संभावना का सामना करते हैं। इसका मतलब यह हो सकता है कि सेना की आपातकालीन शक्तियां और लोकतंत्र का अस्थायी निलंबन भी बार-बार होगा। कई देशों में एक बहुत ही वास्तविक जोखिम यह है कि ये निरंतर जलवायु आपात स्थिति लोकतंत्र और लोकतांत्रिक अधिकारों के निरंतर निलंबन का कारण बन सकती है – वही लोकतंत्र और लोकतांत्रिक अधिकार जो जलवायु संकट से निपटने और जलवायु न्याय सुनिश्चित करने के लिए आवश्यक हैं।

जब साइक्लोन मौका ने 14 मई, 2023 को बांग्लादेश के तट और म्यांमार के पश्चिमी क्षेत्र में तबाही मचाई तो इस श्रेणी-पांच तूफान ने राखीन राज्य में जीवन की दुखद हानि और व्यापक तबाही मचाई। अधिकांश राजधानी शहर, सितवे, नष्ट हो गया है।

यह अच्छी तरह से समझा जाता है कि मानव-प्रेरित (मानवजनित) जलवायु परिवर्तन के परिणामस्वरूप साइक्लोन मौका जैसी चरम मौसम की घटनाओं की आवृत्ति और तीव्रता में वृद्धि हुई है। जो ज़्यादा समझा नहीं जाया गया है वह यह है कि इन चरम मौसम की घटनाओं के राजनीतिक संदर्भ का मृत्यु, विनाश और विस्थापन की सीमा पर गहरा प्रभाव पड़ता है।

महिला शांति नेटवर्क जिसने म्यांमार में क्रूर दमन और मानवाधिकारों के उल्लंघन पर साहसपूर्वक रिपोर्ट की है उन्होंने 16 मई को एक आपातकालीन ब्रीफिंग आयोजित की जिसमें साइक्लोन मौका के प्रभाव का आकलन किया गया। ब्रीफिंग ने उन तरीकों का अवलोकन किया जिसमें सैन्य जनता ने अपने राजनीतिक दमन को आगे बढ़ाने के लिए साइक्लोन का इस्तेमाल किया:

साइक्लोन मौका को लेके जनता की प्रतिक्रिया पर रिपोर्टें सामने आने लगी हैं, जिससे पता चलता है कि जनता ने रोहिंग्या आईडीपी [आंतरिक रूप से विस्थापित व्यक्तियों] के निकासी प्रयासों को ख़त्म कर दिया और तब से उनके शिविरों और आसपास के क्षेत्रों में सहायता पहुंच को बंद कर दिया है। इस तरह के निष्कर्ष, कई अन्य निष्कर्ष के बीच, 1 फरवरी, 2021 को तख्तापलट के प्रयास के बाद रखाइन राज्य में रंगभेद को और गहरा करने के जनता के कृत्यों के अनुरूप हैं।

रखाइन राज्य और बांग्लादेश में रोहिंग्या शरणार्थी शिविरों पर साइक्लोन मौका के विनाशकारी प्रभाव जिसको “सुविधाजनक लापरवाही” के रूप में वर्णित किया गया है, वह 2017 में सेना द्वारा किए गए नरसंहार में म्यांमार से उनके जबरन विस्थापन जिसे संयुक्त राष्ट्र मानवाधिकार परिषद ने मानवता के खिलाफ अपराधों के रूप में मान्यता दी है उसकी याद दिलाता है।

यहीं पर हम जलवायु भेद्यता और सैन्य शासन के अधीन रहने वाली आबादी की भेद्यता के अभिसरण को देखते हैं। यह भेद्यता प्रणालीगत राजनैतिक उत्पीड़न और विशिष्ट जातीय समूहों के खिलाफ किए गए नरसंहार के कृत्यों द्वारा बढ़ाई गई है। न केवल लोगों को जीवन की हानि, उनके घरों का विनाश, अभाव और विस्थापन का सामना करना पड़ता है, बल्कि अपने समुदायों की रक्षा के लिए खुद को तैयार करने या सामूहिक कार्रवाई करने की संभावना गंभीर रूप से बाधित होती है।

साइक्लोन जैसे चरम मौसम की घटनाओं के बाद मानवीय संकट में हम अक्सर अंतर्राष्ट्रीय सहायता संगठनों को सैन्य शासन के साथ काम करने की आवश्यकता को उचित ठहराते हुए देखते हैं। कुछ राहत एजेंसियों का वास्तव में यह मानना ​​है कि केंद्रीकृत अधिनायकवादी शासन सहायता के लिए एक अधिक कुशल वितरण तंत्र है। यह इस तथ्य की उपेक्षा करता है कि अधिनायकवादी शासन बड़े पैमाने पर भ्रष्ट हैं, और सार्वजनिक संसाधनों – मानवीय सहायता सहित – को शक्तिशाली अभिजात वर्ग और उनके साथियों के माध्यम से डायवर्ट किया जाता है। सार्वजनिक संसाधनों की चोरी प्रमुख कारणों में से एक है जिसकी वजह से इस तरह के शासन पहले स्थान पर मौजूद हैं।

इससे भी महत्वपूर्ण बात यह है कि अधिनायकवादी शासन के तहत, मानवीय संकट और मानवीय सहायता राजनीतिक रूप से निर्धारित होती है। राज्य और/या विशिष्ट जातीय या धार्मिक समूहों के प्रति शत्रुतापूर्ण पहचान की गई आबादी को मानवीय सहायता तक पहुंच से वंचित कर दिया जाता है। जैसा कि हम आज म्यांमार में देख रहे हैं को वहां के लोगो पर सैन्य जनता का युद्ध मानवीय सहायता न देने तक फैला हुआ है। इसका कारन समझना मुश्किल नहीं है। मानवीय संकट का शिकार होने और मानवीय सहायता के योग्य होने के लिए, आपको सबसे पहले इंसान माना जाना चाहिए।

1945 के बाद से हमने कई देशों में लोकतंत्र के अंत की शुरुआत देखी है (अक्सर विदेशी हस्तक्षेप द्वारा समर्थित) जहां राष्ट्रीय या उप-राष्ट्रीय स्तर (राज्य, क्षेत्र, प्रांत) पर आपातकाल की स्थिति घोषित की जाती है और सेना को सड़कों पर तैनात किया जाता है। एक बार सेना को सड़कों आने के बाद, सैन्य जनरल और उनके बच्चे राजनीतिक, नागरिक और आर्थिक जीवन में तेजी से आगे बढ़ते हैं।

यहां तक ​​​​कि अगर एक निर्वाचित संसद या कांग्रेस की शक्तियां बहाल हो जाती हैं, और लोकतांत्रिक चुनाव फिर से शुरू हो जाते हैं, तो सेना राजनीतिक दलों पर नियंत्रण रखती है और राजनीतिक, नागरिक और आर्थिक जीवन में अपनी पैठ बनाए रखती है। लोगों के लिए यह आपातकाल की एक स्थायी स्थिति बन जाती है – एक स्थायी संकट।

इस निरंतर संकट में “जलवायु लचीलापन” को भी पुनर्परिभाषित किया गया है। जलवायु लचीलापन में जलवायु परिवर्तन के प्रभावों के लिए समान सामाजिक, आर्थिक और सांस्कृतिक प्रतिक्रिया सुनिश्चित करने और मानव स्वास्थ्य, आजीविका और पर्यावरण की रक्षा सुनिश्चित करने के लिए एक सामूहिक जिम्मेदारी शामिल है। अब हमारे समुदायों में अधिक जलवायु लचीलेपन के लिए राजनीतिक अभिजात वर्ग के आह्वान का मतलब है कि हमें सिर्फ अगले चरम मौसम की घटना का सामना करना होगा। सामूहिक कार्रवाई और जवाबदेही के लिए लोकतांत्रिक तंत्र को छीन लिया गया है, और अधिकारों के अभाव में, जलवायु लचीलेपन का मतलब है कि कमजोर समुदायों को सिर्फ सहने की आदत दाल लेनी चाहिए है। या वहां से हट जाना चाहिए।

कई देशों में, अति दक्षिणपंथी पहले से ही जलवायु परिवर्तन से इनकार करने की बजाये जलवायु परिवर्तन दहशत को फैलाने लगे है। वे प्रभावित समुदायों (विशेष रूप से जलवायु संवेदनशील ग्रामीण समुदायों) का समर्थन करने में राज्य की विफलता को उजागर करने का एक राजनीतिक अवसर देखते हैं। इस नए संकट के सामने सुदूर दक्षिणपंथी मजबूत नेतृत्व   – सत्तावादी शासन के लिए एक लोकलुभावन शब्द, के लिए अपने आह्वान को दोहरा सकते हैं। राष्ट्र के लिए एक बाहरी खतरे के जवाब में हर आपात स्थिति की तरह, लोकतंत्र के निलंबन को सही ठहराने के लिए जलवायु संकट का उपयोग अति दक्षिणपंथी द्वारा किया जाएगा।

इस व्यापक जलवायु संकट में हम अत्यधिक मौसम की घटनाओं, गर्मी की लहरों और जंगल की आग के कारण निरंतर जलवायु आपात स्थिति की संभावना का सामना कर रहे हैं। यह “जलवायु संकट” द्वारा एक चरम मौसम की घटना से दूसरे तक तेज हो जाता है (बाढ़ के बाद सूखा; मूसलाधार बारिश के बाद जंगल की आग)। क्या होगा यदि यह लगातार आपातकाल की स्थिति की ओर ले जाता है जिसमें लोकतंत्र का निलंबन स्थायी हो जाती है?

डॉ मुहम्मद हिदायत ग्रीनफील्ड, IUF एशिया/पसिफ़िक क्षेत्रीय सचिव